সিটি গেইট পুলিশ বক্সের বিপরীতে শহীদ মিনারের ফুটপাতের অংশকে প্রস্রাবাগারে পরিণত করেছে পথচারীরা

চট্টগ্রাম:সিটি গেইট পুলিশ বক্সের বিপরীতে শহীদ মিনারের ফুটপাতের সামনের অংশকে প্রস্রাবাগারে পরিণত করেছে পথচারীরা।মানুষের বিবেক বুদ্ধির অবনতি চরম আকার ধারণ করেছে।যা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।প্রতিদিন হাজার মানুষের পথ চলাচলের রাস্তাটি নোংড়া ও দুর্গন্ধে পরিণত হয়েছে।প্রতি বছরই বাংলাদেশের জাতীয় দিবস গুলো সম্মানের সহিত পালন করা হয়ে থাকে যেমন,আন্তর্জাতকি মাতৃভাষা দিবস-২১ ফেব্রুয়ারী।জাতীয় পতাকা দিবস-০২ মার্চ
স্বাধীনতা দিবস- ২৬ মার্চ
জাতীয় শোক দিবস- ১৫ আগষ্ট
মুক্তিযোদ্ধা দিবস- ০১ ডিসেম্বর
শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস- ১৪ ডিসেম্বর
বিজয় দিবস- ১৬ ডিসেম্বর।
আর প্রতিটি দিবসে শহীদ মিনার গুলো পরিপাটি ও সাজানো হয় নানার রঙবেরঙে।দেয়া হয় ফুল, পর্দশন করা হয় সম্মান।সরকার দেশের সকল মহাসড়কের ফুটপাত গুলো এবং তার চারপাশ সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে পরিণত করলেও মানুষ তার অপব্যবহার করছে।সরকারের নির্দেশে দেশের প্রতিটি জনবহুল স্থানে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে পাবলিক টয়লেট বা প্রস্রাবাগার।বিশেষ করে মহাসড়কের জনবহুল স্থান সূমহে।কিন্তু হচ্ছে না তার সঠিক ব্যবহার।চলতি রাস্তার মাঝে ফুটপাতেই অনেককে প্রস্রাব করতে দেখা যায়।এতে শুধু শহীদ মিনার নয়,নষ্ট হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নও।একটি সুন্দর পরিকল্পিত পরিকল্পনাকে বিনিষ্ট করছে কিছু অসাধু ও বিবেকহীন মানুষ।যা সরকারের নজরে আসা প্রয়োজন।অনিয়মকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্তা নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছি।শহীদ মিনারের প্রতি সঠিকভাবে সম্মান পর্দশন করা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।নগরীর টারগারপার্স জোন থেকে পলোগ্রাউন্ড মাঠ এরিয়া পর্যন্ত সড়কের পশ্চিম পার্শ্বের ফুটপাতকে পথচারী ও ড্রাইভাররা পরিণত করেছে প্রস্রাবাগারে।যা দৃশ্যমান প্রতিনিয়ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *